জগতের সকল!  প্রানী সুখী হোক.

Followers

প্রাথমিক স্কুল জীবনের সংক্ষিপ্ত কথা তুলে ধরা হলো।

         শিক্ষাজীবনে কিছু কথা তুলে ধরা হলো

২০১৬ সালের ছবি

শিশু শ্রেনিঃ ২০০৭ সালে প্রথম আমরা দুই ভাইয়ে রঞ্জনমনি পাড়া এলাকার স্কুলে শিশু শ্রেণীতে ভর্তি হয় ।আমরা দুই ভাইয়ে প্রতিদিন স্কুলে যেতাম । সেই সময় আমাদের অর্থ অভাবে ব্যাগ কিনতে পারতাম না। তাই বাজারে থেকে জুলা কিনে স্কুলে বইগুলো ঝুলায় ঢুকিয়ে স্কুলে যেতাম। এভাবে চলে যায় আমাদের শিশু শ্রেণী স্কুল জীবন তখন আমাদের টিচার ছিলেন জাত্তারা চাকমা! এরপর আরও একজন টিচার আছে বাবুসো বোন! তারপর কিছুদিন আরও পড়ালেখা করিয়ে ছিলেন শুভমা! আজ তাদেরকে মন থেকে জানাই শ্রদ্ধা ও সম্মান  সালাম! আমরা দুই বছর পড়েছি এই স্কুলে!  কারণ বাবা বলতো এই সব ইউনিসেফ স্কুলে নাকি অফিসার বেশি আসে!  পড়াশুনা বেশি ভালো হয় তাই থাকতে হলো ২০০৮ সাল পর্যন্ত একই ক্লাসে!  আমাদের বন্ধুরা সবাই প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হয়! দুই বছর শিশু শ্রেণিতে থাকি আমরা দুই ভাই!  (সংক্ষিপ্ত)

প্রথম শ্রেনিঃ ২০০৯ আমরা দুই ভাইয়ে রঞ্জনমনি পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হয়! ভর্তি হতে প্রথম পরীক্ষা নিতো সকল প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের থেকে!  আমি মনে হয় তেমন মেধাবী ছিলাম না পরীক্ষা দিয়ে প্রথম ভর্তি হতে পেরেছি ঠিক, কিন্তু আমার রোল ছিল ২৭! তখন ৪ নাম্বার ছেলেদের সাথে আমাদের প্রতিদিন ঝগড়া লেগেই থাকে! তখন আমাদের মাস্টার ছিল, সালেহ আহামদ হক খানি, মিতা চাকমা, তপনা চাকমা, শিপ্রা চৌধুরী ইত্যাদি! প্রথম শ্রেণি থেকে পরীক্ষা দিই আর পাস করি! (সংক্ষিপ্ত)


দ্বিতীয় শ্রেনিঃ প্রথম শ্রেণি থেকে উত্তীর্ণ হয়ে ২০১০ সালে দ্বিতীয় শ্রেণিতে দুই ভাইয়ে ভর্তি হয়! আমার রোল ছিল ২৫! তখন বন্ধু বান্ধবদের সাথে অনেক দুষ্টুমি করতাম! যখন বাষির্ক পরীক্ষা আসে! তখন পরীক্ষা দিই! সবাই পাশ করে আমি দ্বিতীয় শ্রেণিতে থেকেই গেলাম! ২০১১ সাল পযর্ন্ত একই ক্লাসে থাকতে হলো! তখন আমার রোল হয়২৪! আবার বার্ষিক পরীক্ষা দিলাম তখন উত্তীর্ণ হয় তৃতীয় শ্রেণিতে! (সংক্ষিপ্ত)


তৃতীয় শ্রেণি: দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে উত্তীর্ণ হয়ে ২০১২ সালে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হয়! তখন আমার রোল ১২ ছিল! তখন আমাদের স্কুলে একবার পিকনিক হয়! আর বন্ধুদের সাথে পিকনিকে যায়, আর অনেক সময় কাটিয়েছিলাম! কিছুদিন পর তপনা চাকমা ম্যাডাম স্কুলে থেকে ফেনসনে গেছেন!আর নতুন টিচার আছে আখিঁ আক্তার ম্যাডাম!
(সংক্ষিপ্ত) 

চতুর্থ শ্রেণিঃ তৃতীয় শ্রেণি থেকে উত্তীর্ণ হয়ে ২০১৩ সালে চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হয়! তখন আমার রোল ছিল ৭ ! প্রতিদিন স্কুলে যেতাম! একবার পড়াগুলো পারি না বলে শিপ্রা ম্যাডাম বলেছিল গান গাইতে হবে! লজ্জায় পারিনি তখন গান গাইতে! এভাবে কেটে যায চতুর্থ শ্রেণি আসে বার্ষিক পরীক্ষা! (সংক্ষিপ্ত)

পঞ্চম শ্রেনিঃ চতুর্থ শ্রেণি থেকে উত্তীর্ণ হয়ে ২০১৪ সালে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি হয়! তখন থেকে আমাদের সুহেন জ্যোতি স্যারের থেকে প্রাইভেট শিখতে হতো! আমাদের ক্লাস শেষ হওয়ার সাথে সাথে  প্রাইভেট  হতো আবার! এভাবে কেটে যায় আমাদের দিন! যতোই সময় যাচ্ছে ততোই আমার মডেল টেস্ট পরীক্ষা আসে!এর কিছুদিন পর আসে সমাপনী পরীক্ষা! স্কুল থেকেই বিদায় দিলো সেইদিন অনেক কষ্ট পেয়েছি! যাদের সাথে এতোদিন এক স্কুলে পড়েছি! তাদের থেকে দিন দিন আলাদা হয়ে গেলাম পরীক্ষা শেষ হলো তখন বন্ধুরা যেন হাড়িয়ে গেলো! কিছুদিন পর ১৬ ডিসেম্বর আমাদের বৃত্তি পরীক্ষা হয় পেরাছড়া স্কুলে তখন শেষ দেখা বন্ধুদের সাথে! ৩১ ডিসেম্বর আমাদের সমাপনী রেজাল্ট! তখন মনটা যেন অস্তির! পয়েন্ট পেলাম! 

(সংক্ষিপ্ত)

লেখাঃ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৩ টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত

Report Print

পরিচিতি


0 Response to "প্রাথমিক স্কুল জীবনের সংক্ষিপ্ত কথা তুলে ধরা হলো।"

Post a Comment

আপনার মতামত দেওয়ার জন্য ধণ্যবাদ