![]() |
| প্রিয় দিদি |
আমাদের চার ভাইবোনদের মাঝে দিদি ছিল সবার বড়টা। বোনের নামটা রাখা হয় ডালতা চাকমা। তিনি পরিবারে আথির্ক সচ্ছল না থাকার কারনে বেশিদূর পড়াশোনা করতে পারেনি। দিদি ছিল খুব ভালো মনের মানুষ। আজো একই রকম রয়ে গিয়েছেন। ছোট বেলায় থেকে যখন একটু মানুষের মতো মানুষ হয়ে ওঠেছে তখন থেকে নিজের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জিত টাকা দিয়ে চলতে হয়েছে। আমাদের সংসারের অভাব অনটন থাকার কারনে দিদি নিজেই ইনকাম করে নিজের পোশাক সহ তার সকল চাহিদাগুলো মেটাতেন। বলতে গেলে গরীব মানুষের দুঃখ সারা সুখ নেই কাপালে। দিদি মাকে রান্না করতে সাহায্য করতো। মাকে নিজের ইনকামের টাকা দিয়ে কিছু না কিছু কিনে দিতো। দিদির বিয়ে হয় আনুমানিক ২০১০ সালে দিঘীনালায় বাবুছড়া এলাকায়। তার স্বামীর নামটা ছিল টুক্কোআলি। তাদের বর্তমানে দুইটি বাচ্চা রয়েছে। কুশলী ও প্রিয়সী। কুশলী বর্তমানে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করেন। প্রিয়সীর বয়স মাত্র ১২ থেকে ১৩ মাস হবে। প্রিয়সী জম্ম হওয়ার পর থেকে জটিল রোগে আক্রান্ত হন। অনেক চিকিৎসা করা হয়েছে। তবুও ভালো হয় নি। ডাক্তারা বলেছিল হার্ডতের সমস্যা রয়েছে। তাকে ভারতে নিয়ে গিয়ে অপারেশন করতে হবে। আরো ভালো ভাবে পরীক্ষা করার জন্য আনুমানিক ২০২৩ মার্চ মাসে ঢাকায় নেওয়া হয়। ডাক্তার সেখানে কি বলে তারপর জানা যাবে। দিদি ও দুলাভাইয়ের কপালটা খুব খারাপ তার জন্য ভগবান এই রকম সন্তান তাদেরকে দিয়েছেন। আসলে দিদি খুব ভালো। তার বাড়িতে বেড়াতে গেলে আমাকে খুব আপ্যায়ন করতো। সত্ত্যিই দিদি মতো কেউ হতে পারবে না। আমাদের দিদিকে খুব খুব ভালোবাসি।
- লেখার সময় ও তারিখ: ১৫ মার্চ ২০২৩। দুপুর ১১ টা ০৪ মিনিটে

.png)
পরিচিতি
0 Response to "প্রিয় বড় বোনের জীবনের কিছু অংশ তুলে ধরলাম "
Post a Comment
আপনার মতামত দেওয়ার জন্য ধণ্যবাদ